জগন্নাথপুরে জোরপূর্বক ফসলী গাছ কর্তন

প্রকাশিত: ১১:২০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০২০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে জোরপূর্বক ফসলী গাছ কেটে ফেলেছে ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদার। এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের আলোকে সরজমিন তদন্ত করেছেন থানা পুলিশ। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসলামপুর গ্রামের পাশে ঢাকা-সুনামগঞ্জ রোডে নিমাণার্ধীন কুশিয়ারার সেতুর বøক লাগানো কাজ চলছে। কোন প্রয়োজন ছাড়া জমির অধিকগ্রহনের বাহিরের অংশে গিয়ে শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে বøক লাগানো ও গাইড ওয়ারের সাইডের সাব ইনঞ্জিনিয়ার স্বপন বাবু (৪৫), ঠিকাদার নাদিম মিয়া (২৮) ও লেবার ঠিকাদার রহিম উল্লাহ (৪৫) মিলে একই ইউনিয়নে বাগময়না গ্রামের লন্ডন প্রবাসী মাহমদ মিয়ার নতুন বাড়ীতে থাকা ফসলী গাছ কেটে ফেলে। এ বাড়ির দেখা শুনার দায়িত্বে থাকা মাসুক মিয়া গাছ কাটায় বাঁধা দিলে প্রাণ মারার হুমকি প্রদান করা হয়। পরে মাহমদ মিয়া দেশের সম্পত্তি দেখা শুনা দায়িত্বে থাকা চাচাতো মো. আলমগীর (৩৮) ঘটনা স্থলে আসলে উত্তেজনা বিরাজ করে। স্থানীয়রা আলমগীরকে বুজিয়ে বিচারের মাধ্যমে দেখার জন্য অনুরোধ করলে বিচারের বিষয়টি দেখা সময় দেওয়া হয়। তিন দিনে বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় সোমবার (১৭ আগষ্ট) রাতে মো. আলমগীর জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের আলোকে গত মঙ্গলবার ( ১৮ আগষ্ট) দুপুরে জগন্নাথপুর থানার এসআই ও রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বিট পুলিশিং কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া ও এএসআই শিবলু মজুমদার ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে মাহমদ মিয়ার দেশে দায়িত্বে থাকা চাচাতো ভাই মো, আলমগীর বলেন, রানীগঞ্জ ব্রীজের সাব কন্টাকের কাজ নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোকের চত্রছায়ায় ঠিকাদার নাদিম মিয়া, ইনঞ্জিনিয়ার স্বপন বাবু ও লেবার ঠিকাদার রহিম উল্লাহ বিভিন্ন সময় স্থানীয়দেন সাথে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেনা। কোন কারন ছাড়া আমার চাচাতো ভাইয়ের ফসলী গাছ কেটে ফেলেছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কামনা করছি। এ ব্যাপারে জানতে অভিযোক্তদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি তারা জানেনা বলেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই শিবলু মজমুদার বলেন, গতরাতে গাছ কাটার একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের আলোকে সরজমিন তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছি। আইন আনুক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Print Friendly, PDF & Email