ফেসবুক বাসিন্দাদের জন্মদিন পালন

প্রকাশিত: ১:১২ পূর্বাহ্ণ, মে ১৬, ২০২১
শাহানা আরা বীথি
শুভ জন্মদিন লেখাটি আজকাল ফেসবুকে আসা মাত্রই চোখের সামনে ভেসে উঠে।এমন কোনো দিন পায়নি যে আজকের টাইমলাইনে ঐ লেখাটি আসেনি।  এই ফেসবুক নিয়ে আগে বলে রাখি,২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু হয় ফেসবুকের। ১০ বছর পূর্ণ করা ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয় এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের হাত ধরে। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ডরম রুমে ‘দ্য ফেসবুক’ নামে শুরু হওয়া এ ওয়েবসাইটের বর্তমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১২০ কোটি।
মূলত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে এক জায়গায় আনার পরিকল্পনা থেকে শুরু হয় ফেসবুকের যাত্রা। এখন মূল কথায় আসি, যা বলতেছিলাম ফেসবুক জন্মদিন পালনের কথা।
আমার বিবাদ শুধু ঐ বুড়ো ফেসবুক বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে যারা নিজ জন্ম তারিখ না জেনে নিছক একটা তারিখকে জন্মতারিখ বানিয়ে এক মহাযাত্রার আয়োজন করেন।একটা বানোয়াট জন্মদিনকে কেন্দ্র করে অনেকে বউ বাচ্চা সহ বিশাল কেক কাটার ছবি ফেসবুকে আপলোড দেন।এই ফেসবুক জন্মদিন যাপনকারীর জন্মতারিখ  স্বয়ং পিতা মাতাও বলতে পারবেন কিনা সন্দেহ। যদিও জন্মতারিখটি সাব্যস্ত হয়েছে  মেট্রিক পরিক্ষার রেজিস্ট্রেশন সময়  স্কুলের শিক্ষক মহাশয়ের মাধ্যমে।ফেসবুক বাসিন্দা হওয়ার আগেও এই তারিখটি সংযোজন বিয়োজন হয়েছে ।এই মিথ্যা জন্মদিন পালনকে বুড়োদের ভীমরতী ছাড়া আর কি বলা যায়।অবশ্য এই তামশার খোরাক যোগায় কিছু পাকাপোক্ত ফেসবুক তুখোড় ফেসবুকবাসী, যারা কিনা আতুর ঘর থেকে ফেসবুক,মোবাইলের সংস্পর্শে।এই ফেসবুকবাসীর মাঝে আরও একদল আছে যাদের কাজেই হচ্ছে  মানুষের জন্ম দিন খুঁজে খুঁজে ফেসবুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আপলোড দেওয়া।হোক সেই জন্মদিনের তারিখটি আসল কিংবা নকল ,ঐটার দায়ভার উনার নয়।  এই ফেইক তারিখে জন্মদিন পালনেই
ফেসবুককে বেশি  ফেইক প্রমান করতে সাহায্য করছে।ভুয়া জন্মদিন পালনের মাধ্যমে ফেইসবুক নামক শব্দটি আরও কলঙ্কিত হয়।মিথ্যা বিষয়টি আরও দৃড়ভাবে আবদ্ধ হয় ফেসবুক শব্দটির সাথে।
Print Friendly, PDF & Email