চলতি রোপা আমন ফসলে প্রযুক্তি বাস্তবায়নে পীরগঞ্জ কৃষি বিভাগের নিরলস প্রচেষ্টা 

মোঃ রতন মিয়া মোঃ রতন মিয়া

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২:৩৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৪, ২০২১
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রত্যেক্ষ তত্বাবধায়নে চলতি রোপা আমন ফসলে প্রযুক্তি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। লকডাউনেও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৪৬টি ব্লকে ৩৭জন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক রোপা আমন চাষীদের সাথে সরেজমিন যোগাযোগ রক্ষা করছেন। সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, এবছর ২২২৬৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ফসলের লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করা হয়েছে। চলতি রোপা আমন মৌসুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পরামর্শে রোপা আমন ফসলে লাইন লোগো পার্চিং(খখচ) সহ রোপা আমন ফসলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সার্বক্ষণিকভাবে কৃষককে পরামর্শ ও উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সংকটকালীন সময়ে নির্বিগ্নে রোপা আমন ফসল  চাষাবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারিবদ্ধভাবে চারা রোপন, ১০ লাইন পর এক সারি ফাঁকা রাখা ও বালাই প্রতিরোধে ধান ক্ষেতে পার্চিং এর পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা।
রোপা আমন চাষী দুরামিঠিপুরের মতিয়ার রহমানের পুত্র রতন মিয়া, মনছুর আলীর পুত্র বাবু মিয়া, রামনাথপুরের ওসমান উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান, ছোট মির্জাপুরের আব্দুল হামিদের ছেলে জুয়েল মিয়া ও রাউৎপাড়ার শফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, রোপা আমনে প্রযুক্তি বাস্তবায়নে কর্মকর্তারা হাতে-কলমে শিক্ষা দিচ্ছেন। সারিবদ্ধভাবে লাগালে এবং প্রতি ১০ লাইন পর পর এক সারি ফাঁকা রাখলে ধান ফসলে একদিকে যেমন রোগ বালাই এর আক্রমন কম হয় অন্যদিকে জমির আগাছা পরিস্কারসহ সার প্রয়োগ এবং বিভিন্ন আন্ত:পরিচর্যা করা সহজ হয়। ফলে ধান ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাদেকুজ্জামান বাসসকে জানান, চলমান কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সংকটকালীন সময়ে দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ খখচ বাস্তবায়নে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে যাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ রংপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ওবায়দুর রহমান মন্ডলের  তত্বাবধানে পীরগঞ্জে রোপা আমন ফসলে খখচ সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
Print Friendly, PDF & Email