বিশ্ববাজারে কমলেও দেশে কমেনি ভোজ্যতেলের দাম 

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২২

বিদায়ী বছরের ডিসেম্বরে বিশ্ববাজারে কমেছে ভোজ্যতেলের দাম। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বাংলাদেশের বাজারে এখনো কমেনি ভোজ্যতেলের দাম।  বরং পূর্বের তুলনায় তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে।

আলোচ্য মাসে ভোজ্যতেলের দাম কমেছে নভেম্বরের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ায় ভোজ্যতেলের আমদানি চাহিদায় প্রভাব পড়ে। একপর্যায়ে ভাইরাসটির নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটতে থাকায় এ চাহিদায় মারাত্মক প্রভাব পড়ে। 

ফলে পাম অয়েল ও সূর্যমুখী তেলের দাম কমে যায়। সর্বোপরি যা ভোজ্যতেলের বাজারে প্রভাব ফেলে। তবে ডিসেম্বরে কমলেও সারাবছর খাদ্যপণ্যটির মূল্যসূচক ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ঠেকে। ২০২০ সালের তুলনায় ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

প্রতিমাসে বিশ্বজুড়ে কেনাবেচা প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্যের দামের সূচক প্রকাশ করে এফএও। 

সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত বছরের ডিসেম্বরে চিনির দাম নভেম্বরের তুলনায় কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। 

চালের দাম হ্রাস পেয়েছে ৪ শতাংশ। ভুট্টা ও গমের দামেও পতন হয়েছে। তবে বেড়েছে দুগ্ধজাত পণ্যের দাম। নভেম্বরের তুলনায় এসব পণ্যের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ।

এফএওর এক জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ বলেন, সাধারণত খাদ্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হলে উৎপাদন বাড়ান সংশ্লিষ্টরা। তবে ২০২১ সালে ঘটেছে উল্টোটা। বিদায়ী বছরে উপকরণ ও কাঁচামালের দাম ছিল আকাশচুম্বী।

চলমান মহামারী এবং জলবায়ু সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা পরিস্থিতি  জটিল করে তোলে। ফলে উৎপাদকরা খাদ্যপণ্য উৎপাদনে  নিরুৎসাহিত হন।

স্বাভাবিকভাবেই চলতি বছর খাদ্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email