আটোয়ারীতে বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

আব্দুর রহমান আব্দুর রহমান

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০২২

 পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজলোর লীলারমেলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষকের যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভভিাবকসহ এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সহকারী মৌলভী শিক্ষক জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন হয়রানির অভিযোগ করা হলেও শুধু সাময়িক বরখাস্ত র্পযন্ত শাস্তি সীমাবদ্ধ থেকেছে।একযুগ ধরে মাদ্রাসাটিতে ছাএীদের যৌন হয়রানির শিকার হয়ে এলেও দোষী ওই শিক্ষক রয়েছেন বহাল স্ব-পদে।জানা যায়, র্দীঘদিন ধরে ওই মৌলভী শিক্ষক নানা যৌন হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছ।যৌন হয়রানির শিকার ছাত্রীদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়েকবার সাময়কিভাবে বরখাস্তও হয়ছেন ওই শিক্ষিক। বরখাস্তের পর এ ধরনরে ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হবে না বলে প্রতশ্রিুতি দিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন। কিন্তু তারপরও তার এই আচরণরে পরিবর্তন হয়নি। সর্বশেষ গত ২১ মে ষষ্ঠ শ্রেণীর তিন ও ৭ম শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির লিখিত অভিযোগ করা হয় মাদ্রাসার সুপার বরাবর। সুপারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন জবাব তিনি দেনেনি। এক ছাত্রীর বাবা জানান, এর আগেও ২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর যৌন হয়রানির অভিযোগে ছয় মাস, ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল ছয় মাসের জন্য সাময়কিভাবে বরখাস্ত ছিলেন তিনি। কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে মাফ পেয়ে যান।৭ম শ্রেণেীর এক ছাত্রী জানায়, ক্লাস নেওয়ার ফাঁকে জামাল স্যার অশালীন অঙ্গভঙ্গি, কুরুচিপূর্ণ কথা, শরীরে র্স্পশ করাসহ বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এসব করতে বাঁধা দিলে তিনি আমাদের পরীক্ষায় ফেল করে দেয়ারও হুমকি দেন। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক জামাল উদ্দীন বলেন, আমার বিরুদ্ধে কয়েক জন ছাত্রী যৌন হয়রানির যে লিখিত অভিযোগ করেছে তা অসত্য। মাদ্রাসার সুপার আমান উল্লাহ বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীর তিন ও ৭ম শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো জবাব পাইনি।আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসফিকুল আলম হালিম বলনে, আমি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি।বিষয়টি তদন্ত করে দোষী প্রমাণ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email